শীতঘুম

ভেষজ ব্যাঙের ঘ্রাণে উঠে আসে শীতঘুম
চোখের শার্শিতে ঘামে কুয়াশার পুরু চাদর।
সব ভালোবাসা জমে যায়, জমে যায়
নাটকের মোটা কম্বলের নিচেও বেশ হিমকাতর।

শেকল দাও নয়তো বরফে পরিণত হবে
যত প্রেম, রস, সাঙ্গ, লালায়িত বেদনা।
মানুষ হয় কে বা কখনও কালে ভদ্রে, শেখে
হিমলাগা রাতে জোছনা পোহানো সয় না।

 

ডিসেম্বর ২০১৩।

“The Bride Stripped Bare by Her Bachelors, Even” – Understanding Duchamp’s Piece

Marcel Duchamp, a French-American painter, sculptor and writer, with works immensely associated with Dadaism and conceptual art, made this famous piece in 1923. He called it The Bride Stripped by Her Bachelors, Even. In short, it is also known as The Large Glass.

It is made of two large plates of glass mounted in a sturdy frame. On the glass, Duchamp assmbled images of imaginary objects using a variety of media: wire, paint, mirror plating, foil and dust.

Duchamp worked on The Large Glass for eight years until 1923, when he abandoned it it what he called a “definitively unfinished” state. Years later, a network of cracks was accidentally added when it was shattered while being moved.

The Large Glass has a reputation for being inscrutable, but it needn’t be. As usual, Duchamp’s attitude is humorous; in this piece, his mode is pseudoscientific, mock-analytical.

It helps to know a couple of things in advance. First, The Large Glass depicts abstract forces, not worldly interactions, not a static tableau. It is a picture of the unseen forces that shape human erotic activity – the realm of ego, desire, and other mysteries. To represent these psychological and existential abstraction, Duchamp created a world occupied by enigmatic but suggestive symbolic objects. The Large Glass is a pictorial diagram of interactions among unseen, abstract forces, as represented by these objects. Continue reading

মাছ ধরছি, মাছ

১/

ছায়াটা আগলে রেখেছে আমাকে সূর্য থেকে,
হয়তো বলতে পারো আমি মৎস্য শিকার করি।
তবে নদী বা পুকুরে খাটুনি জেলের মত নয়,
শক্ত মাস্তুল ধরা সাহসী নাবিকের মতো নয় –
আমি শানবাঁধানো দিঘীর পাড়ে চাদর গায়ে
কেঁচো আর পোকা দিয়ে ছিপ পেতে বসি।

২/

গা বাঁচিয়ে চলছি আজো, আঁচড় না লাগে
পাঁজরে। ওর একটু নিচেই তো বসবাস।
আমি দুদণ্ড সব ঝামেলা মুক্ত থাকতে চাই,
কালো রঙের বাক্য না ছুঁড়ে কখনও বা
একটু হাসিমাখা খুনসুটি করতে চাই,
কারণ হাসিতে আছে ঐশ্বর্য, যা
বৈষয়িক আহার-নিদ্রা-রতিতে নাই।
আর তাই আমি ছিপ ফেলে বসে থাকব,
পাশে বসা নিরীহ ব্লাউজে মাথা রেখে
আমি হাসির গুনগুন শুনবো।

 

– জুলাই ২০১৩ –

Fire With Fire

Sometimes, we just see things for what they are, they can be so much more if you only put your mind to it, and see their inner potential.

A cure for leukemia? A cure using HIV?
Kudos Dr. June and Team, #Respect .

Citizen of an Idiocracy

CTL019 was always going to be a pretty horrendous name for a miracle. Yet it proved no less miraculous.

Recently, doctors saved the life of little Emily Whitehead (7) who had been suffering from Leukemia. What’s amazing is that they used the Human Immunodeficiency Virus (HIV) to fight her Cancer.

The HIV is very good at breaking cells down – and usually wreaks havoc on our immune system. But in this experimental therapy, titled CTL019, a disabled form of HIV was allowed to attack Cancer cells. Emily no longer has any disease in her body.

Lots of love for little Emily who bears witness to divine mercy and human ingenuity in fighting fire with fire. I’ve always believed that the Almighty has given a cure for every illness. I hope, this is one of them.

View original post

অনুবাদন

অনুবাদন

একটা বইয়ের দোকান দেবার খায়েশ হয়,
থরে থরে বই সাজানো সেই দোকানের
দেয়াল চোখে দেখা যায় না।

শুধু ছাদ দেখা যায়, ছাদ থেকে
একটা সিলিং ফ্যান ঝুলবে,
তুমি বই কিনতে আসলেই শুধু ফ্যানটা চলবে –
যেন খুঁজতে খুঁজতে তোমার গরম লাগে না।

হাতের নাগালে একটা ঝাঁপ থাকবে –
আমি ইচ্ছে হলে ঝাঁপ নামিয়ে দেব
সাজানো বই নামিয়ে বেড়া বানিয়ে নেব
ফ্রস্ট, কাফকা আর জীবনানন্দ তাকিয়ে দেখবে
কিভাবে তোমার ঠোঁটে অনূদিত হয় ঝর্ণা।

– জুন ২০১৩ –

তমসা – ১

তমসা – ১

নিয়ন বাতির কাছে অনেক পোকা
উড়ে আসে। মোমের আলোতে
পুড়েছে অনেক পতঙ্গের পাখা।
সূর্য কেড়ে নিয়েছে আইকারুসকেও।
আলোতেই বোধ করি সব সুখ নেই,
আমি হাত দিয়েও দেখতে পাই কোমরের ভাঁজ।
তাই অন্ধকারে এক গুচ্ছ পাতার নিচে
উড়িয়ে আনাবো সহস্র জোনাকির ঝাঁক।

জুন ২০১৩

তিন বর্ষা ছারপোকা

তিন বর্ষা ছারপোকা

সন্ধ্যা নামলে জলের দোকানে বিক্রিবাট্টা বাড়ে
লাল হওয়া চোখ তাকিয়ে দেখে আলোর সুবিন্যাস
ঘুম তাড়াতে বারংবার হাঁটতে ইচ্ছে করে
দ্বীপের মাঝে হাঁটলে নামে একটা দীর্ঘশ্বাস

রাত হলেই একটা হলুদ নীলচে হয়ে আসে
মাথার কাছে দুই বিন্দু ছাদের পানির ত্রাস
ছারপোকা কাটছে পিঠে তিন বর্ষা ধরে
ফুটো হওয়া ছাদের মুখে অশালীন উল্লাস।

 

– জুন ২০১৩ –